Wednesday, 31 August 2016

Debashish Dutta lavishes East Bengal, Kalyan Majumder slams back in style!


Kolkata: Mohun Bagan’s Finance Secretary Debashish Dutta significantly criticized their arch rival East Bengal and parent body IFA, as he claimed IFA to be the “yes man” of East Bengal. In a dramatic press conference, Debashish said,”What Srinjoy Bose said to IFA regarding East Bengal, seems to be a very minimum to me. I want to say they should have changed their name into East Bengal Football Association instead of Indian Football Association.”

Thursday, 18 August 2016

সরনের স্মরণীয় গোলের সুবাদে ফের লীগের শীর্ষে মোহনবাগান । প্রদীপ হাজরা

খেলার বয়স ৬ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড , আগের দিন ৮০ মিনিটের মাথায় আজহারের গোলের ঠিকানা ভরা মাইনাস থেকে অজয় সিং যেমন নিখুঁত ফিনিশে ঘরে মুল্যবান তিনখানা পয়েন্ট  এনে দিয়েছিল আজ যেন ঠিক তার পুনরাবৃত্তি দেখল গ্যালারী ভর্তি মোহনবাগান মাঠ। 
ছবি সৌজন্যে - মোহনবাগান ফ্যানাটিক

Monday, 15 August 2016

দমবন্ধ করা গুমোট আবহাওয়া থেকে বাগানে শান্তির শীতল হাওয়া, সৌজন্যে আজহার অজয় যুগলবন্দী

ঝলমলে মনোরম আলোক পরিবৃত সমর্থক ঠাসা মোহনবাগান গ্যালারীর উচ্ছ্বাস ও সাথে বিরূপ পবনদেবের নাছোড়বান্দা মনোভাবে সবার মনে তখন উঁকি মারছিল একটাই কথা - “খেলা হবে তো”? কিন্তু মাঠটার নাম মোহনবাগান। কচ্ছপের খোলার মতো আকৃতি বিশিষ্ট এই মাঠের সব থেকে বড় সুবিধা অসাধারন ড্রেনেজ সিস্টেম ও বিজ্ঞান ভিত্তিক মাঠ পরিচর্যা, তাই প্রকৃতিদেবের শত বাধা সত্ত্বেও জয়ের হ্যাট্রিকের সুবাদে কলকাতা লিগে গোল পার্থক্যের বিচারে ইস্টবেঙ্গলকে টপকে শীর্ষস্থানে উঠে এলো মোহনবাগান।

Monday, 13 June 2016

Debjit, Pritam extends their contract with Mohun Bagan

Internet Desk: Goalkeeper Debjit Majumdar, right back Pritam Kotal and Left back Shouvik Ghosh extends their contract with Mohun Bagan for one more year. The final talks are over with Bagan officials and they may sign the contract paper on Wednesday.
It was heard that East Bengal were in talks with Debjit Majumdar and Pritam Kotal from a long time but at last bringing an end to all speculations these two players have decided to play for the Green and Maroon Brigade for one more year.
Even Shouvik Ghosh, too has agreed to stay at Bagan for one more season but these players will join Mohun Bagan after representing their respective franchisees in the ISL. Debjit Majumdar and Pritam Kotal will be donning the Atletico De Kolkata jersey while Shouvik Ghosh will don the jersey of North East United FC.

Monday, 23 May 2016

জয়ের আনন্দেও এএফসি-তে ফোকাস বাগানের

সোনি নর্ডিরা ভারতসেরা হয়েছেন এখনও ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি৷ তার মধ্যেই চ্যাম্পিয়ন তকমা ভুলে সামনে তাকাচ্ছে বাগান শিবির৷ এই মনোভাবই হয়তো টানা দু’মরশুম দু’টো বড় ট্রফি জেতালো দলকে৷ অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয় ছেলেদের আত্মবিশ্বাসী হওয়ার মন্ত্র পাঠ করাচ্ছেন সঞ্জয় সেন৷ শনিবার যে মাঠে সবুজ মেরুন ঝড় উঠেছিল, মঙ্গলবার গুয়াহাটির সেই ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামেই এএফসি কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ট্যাম্পাইনের বিরুদ্ধে নামতে হবে যে৷ তাই এখনই বড়সড় সেলিব্রেশন নয়৷
এ তো গেল রবিবারের কথা৷ কিন্তু শনিবারের রাত? ১৪ বার ফেড কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গুয়াহাটির ছবিটা কেমন ছিল?
ফ্ল্যাশব্যাক! ২১ মে রাত ৯ টা৷ শেষ বাঁশি বাজার কিছুক্ষণ আগেই মাঠে চলে আসেন ক্লাবের সহ-সচিব সৃঞ্জয় বোস৷ সঙ্গে ছেলে৷ জয়ের কৃতিত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সহ-সচিব বললেন, “আই লিগ জয়ের পর আমি আর দেবাশিসদা দল গড়তে নেমে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম৷ বাবা না থাকলে সেই বাধা টপকে দল গড়া যেত না৷ কেউ কেউ সেই সময় চেকে সই করতেও চাননি৷ ক্লাবের ফান্ড ছিল না, এই অজুহাতে৷ বলছিলেন, এত খরচ করে দল গড়ার কী আছে! আমাদের পিছনে বাবার সমর্থন ছিল৷ দল ভাল করার ইচ্ছেও ছিল৷ এই জয়ের কৃতিত্ব আমাদের গোটা টিমের প্রাপ্য৷” সহ-সচিব সৃঞ্জয় বোসের ছেলে অরিঞ্জয় গুয়াহাটিতে এসেছেন এক বছর আগে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যাওয়া জামা-কাপড় নিয়েই৷ আই লিগ ট্রফিটা যে সেখানেই ঝুলিতে ভরেছিল বাগান৷ এমনকী সঙ্গে ছিল ‘লাকি’ মোবাইল ব্যাক কভার, ঘড়ি, ক্ষয় পেয়ে ছোট হয়ে যাওয়া চটিও৷ জয়ের তাগিদ যেন ড্রেসিংরুম ছাপিয়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছিল৷ গত মরশুমে এই ফেডারেশন কাপেই নিয়েছিলেন দায়িত্ব সঞ্জয় সেন৷ হাতে পেয়েছিলেন মাত্র কয়েকদিন৷ চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলেন৷ ফল পাননি৷ তবু হাল ছাড়েননি৷ এদিন সাফল্য পেয়ে বললেন, “আই লিগ, ফেড কাপ দিয়েছি৷ আমার উপর যে ভরসা করেছিলেন কর্তারা, সমর্থকরা, তা পূরণ করেছি৷ এবার ভাবার সময়৷ কখনও পরিবারকে সময় দিতে পারিনি৷ এবার ওদের প্রাপ্যটা দিতে হবে৷”
ড্রেসিংরুমের ছবিটা যখন এরকম তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছেন বাগান সমর্থকরা৷ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের রাগিয়ে দেওয়ার এর চেয়ে ভাল ‘মওকা’ আর কী-ই হতে পারত! গর্বের সঙ্গে লাগাতার চ্যাট যুদ্ধ চালিয়ে গেলেন বাগান ভক্তরা৷ শহরে বাগান ফ্যান ক্লাবগুলোতে চলল সবুজ আবির খেলা৷ এরই ফাঁকে শহরে ফিরলেন সোনি, আজহার ও কাটসুমি৷ দলকে ট্রফি জিতিয়ে হাইতি ফেরার শপথ নিয়েছিলেন সোনি৷ কথা রাখলেন৷ এদিকে, মঙ্গলবারের ম্যাচের জন্য গুয়াহাটি উড়ে যাবেন কেন লুইস, তীর্থঙ্কর ও সুভাষ সিং৷ সিঙ্গাপুরের দলকে হারানোর পরই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেলিব্রেশনে মাততে চায় সবুজ মেরুন ব্রিগেড৷

আক্ষেপই সঙ্গী বিস্মৃত দেবাশিসের

গালভর্তি খোঁচা সাদা দাড়ি। চেহারায় ভাঙন ধরেছে। আনমনা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন গোলপোস্ট ধরে। আনকোরা ফুটবলারদের দাপাদাপি দেখে আপন মনে হাসছেন। স্থির থাকতে না পেরে আবার দৌড়ে গিয়ে শুধরে দিচ্ছেন ‌ভুলগুলো। গুয়াহাটি নেহরু স্টেডিয়ামে এই দৃশ্যের চরিত্র খোদ কলকাতা ময়দান কাঁপানো আটের দশকের স্ট্রাইকার দেবাশিস রায়। যাঁকে সবাই ‘‌দেবাদা’‌ বলেই চিনত। আজ হয়ত ভুলে গেছেন অনেকেই। না হলে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে অন্তত কর্তব্যের খাতিরেও মোহনকর্তারা আমন্ত্রণ জানাতেন চার বছর বাগানে খেলা স্ট্রাইকারকে। ১৯৮৬–‌‌র কলকাতা লিগে সবুজ–‌মেরুনের হয়েই ১৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তকমা পেয়েছিলেন। অথচ, আজ কেউ মনে রাখেননি মজিদ বাসকারের সঙ্গে খেলা দেবা‌কে। ১৯৭৬–‌এ ভারতীয় জুনিয়র দলে সুযোগ। পরের বছরই জাতীয় জুনিয়র দলের সহ–‌অধিনায়ক। সে দলের অধিনায়ক ছিলেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য‌। ১৯৭৭–‌এ এফ সি আইয়ের চাকরি পান এবং গুয়াহাটির টাউন ক্লাবে খেলার সময় ডাক আসে কলকাতা ময়দানে।  
১৯৭৯–‌তে এরিয়ানে খেলে বাংলার হয়ে সন্তোষ জয়। বড় দলে ডাক পরের মরশুমেই। জামসিদ নাসিরি, মজিদ বাসকারের সঙ্গে মহমেডান স্পোর্টিংয়ে ১৯৮২ পর্যন্ত। ওই বছরই এশিয়ান গেমসে কৃশানু, প্রসূন, সুব্রতর মতো তারকাদের মাঝেও চমক দিয়েছিলেন দেবা। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ১৯৮৪–‌তে ২৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ১৯৮৬–‌৮৯ মোহনবাগানে দাপিয়ে খেলার সময় ডান পায়ের কাফ মাসলের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গুরুতর চোট। তারপর থেমে যেতে হয় বহু যুদ্ধের নায়ক, পি কে–‌‌চুনী‌র নয়নের মণি দেবাশিসকে। ফুটবলকে ভুলবেন কী করে বুঝে উঠতে পারছিলেন না। এফ সি আই গুয়াহাটির কোচ হয়ে ফুটবলার তৈরির কাজে নেমে পড়লেন। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটে না জেনেও যন্ত্রণার ক্ষতে সাময়িক প্রলেপ দিতে কোচিংয়ে ব্যস্ত রাখলেন নিজেকে। অনেক লড়াই করে ফুটবলার হতে হয়েছিল, সেই লড়াই এখনও চলছে, দারিদ্রের বিরুদ্ধে। আক্ষেপের সুরে গুয়াহাটির নেহরু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে দেবাশিস বলে চললেন, ‘‌ময়দান আমাকে শূন্য হাতেই ফেরত পাঠাল। ছোটবেলায় যেমন কষ্ট করে ফুটবলার হয়েছিলাম, এখনও সেই কষ্ট আমার পিছু ছাড়ল না।’‌ সেইসঙ্গে  ঘুরেফিরে এখনও তঁার স্বপ্নে আসে কলকাতা ময়দানে খেলার সেই পুরনো ছবিগুলো।
সময়–সুযোগ হলে এখনও ফুটবল দেখেন। দেবাশিসের মতে, ব্যারেটো, ওডাফা অনেক দেখলেন। কিন্তু মজিদ বাসকারকেই তঁার চোখে দেখা সেরার আসনে বসাচ্ছেন। ভারতীয় স্ট্রাইকারকের মধ্যে পাহাড়ি ছেলে জেজে–তে মজে রয়েছেন।
অসমের  করিমগঞ্জের বাড়িতে  তিন দিদি, স্ত্রী-‌পুত্রের সংসারের দায়িত্ব সামলে বাকি সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখলেন ফুটবলে। ২০০৯–‌এ চাকরি থেকেও ইতি টানলেন। বিকেল হলেই এ মাঠ–‌সে মাঠ করে বেড়ান ষাটোর্ধ্ব দেবা। অসমের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত ডিব্রুগড়, দিসপুর, রাবাসাম, শিবসাগর সর্বত্র অশক্ত শরীরে দৌড়ে বেড়ান ফুটবল কোচিংয়ের টানে। ‘‌একটু সুযোগ পেলে আমি কলকাতা ময়দানে বড় কোচেদের তালিকায় নিজের নাম বসাতে পারব, কিন্তু অর্থসম্বল নেই, লাইসেন্স পেতে কী করতে হয়, তা–‌ও জানা নেই। কেউ একটু সাহায্যও করে না। মোহনবাগান, ইষ্টবেঙ্গল কোনও ক্লাবই আমাকে মনে রাখেনি, যথাযথ প্রতিদান পেলাম না কলকাতা ময়দানের কাছ থেকে। খুব মিস করি ময়দানের উন্মাদনা’‌‌— মাঠের একপ্রান্তে গোলপোস্ট ধরে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলতে বলতে গলা কেঁপে আসছিল বহু যুদ্ধের নায়ক দেবাশিসের।‌‌‌

টাম্পাইন্সের বিরুদ্ধে বাগানে একা কুম্ভ আজ সঞ্জয়

অসমের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামার জন্য হেলিপ্যাড তৈরি হচ্ছে স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায়। মঙ্গলবার এএফসি কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটাই তাই প্রায় বাতিল হতে বসেছিল।
হাতে গরম লাখ তিনেক টাকা খরচ করে, স্টেডিয়াম খুলিয়ে, পুলিশের হাতে পায়ে ধরে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত  সংগঠনের অনুমতি পেয়েছে মোহনবাগান।
অনেক লড়াই করে শেষ পর্যন্ত জরিমানা থেকে  বাঁচল সদ্য ফেড কাপ জয়ী ক্লাব। কিন্ত আজ টাম্পাইন্স রোভার্সের বিরুদ্ধে সঞ্জয় সেন বাঁচবেন কী করে? সবই যে বাগান কোচের বিপক্ষে।
সনি নর্ডি হাইতি চলে গিয়েছেন। চোটের জন্য খেলতে পারবেন না টিমের তিন সেরা ফুটবলার কাতসুমি, প্রীতম কোটাল ও প্রণয় হালদার। আরও বড় কথা, আগের দিন রাতে হঠাৎ-ই আবিষ্কার হয়, নিয়মানুযায়ী রিজার্ভ বেঞ্চ ভর্তি করারও ফুটবলার নেই বাগান হোটেলে। যেটা না থাকলে এএফসি জরিমানা করতই। তাই সোমবার ভোরে তড়িঘড়ি তিনের বদলে পাঁচ ফুটবলারকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে এসে তুলে দেওয়া হয় গুয়াহাটির বিমানে। কেন লুইস, তীর্থঙ্কর সরকার, সুভাষ সিংহ, পঙ্কজ মৌলা আর সার্থক গলুই। আশ্চর্যজনক তথ্য, তাঁদের নিয়েই সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ জেতার প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন বাগান কোচ। অকুতোভয় ভঙ্গিতে সঞ্জয় বলেও দিলেন, ‘‘নতুন ছেলেরাই প্রমাণ করে দেবে ওরা সনি-কাতসুমিদের বিকল্প। এটাই তো চ্যালেঞ্জ।’’
সিঙ্গাপুরের টাম্পাইন্স রোভার্স আহামরি কোনও দল নয়। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যুবভারতীতে সুন্দ্রামূর্তির টাম্পাইন্সকে ৩-১ হারিয়েছিল বাগান। ওটাই ছিল সনি-জেজেদের এই মরসুমে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বাগানের পুরো টিম থাকলে আইজলের মতো না হলেও বলে বলে হারিয়ে দিতে পারত সিঙ্গাপুরের টিমকে। কিন্তু এখন অবস্থা যা তাতে জিততে হলে জেজে-কর্নেল-কিংশুকদের নিজেদের ছাপিয়ে যেতে হবে। টাম্পাইন্স কোচ সুন্দ্রামূর্তি এ দিন আবার বলে দিলেন, ‘‘যখন বাগানের কাছে কলকাতায় হেরেছিলাম তখন আমাদের প্রি সিজন চলছে। ওটাই ছিল আমাদের প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ। এখন আমরা এস লিগ খেলছি। দু’নম্বরে আছি। বাগান ভাল দল। তবে আমরা এখন তৈরি। জিততে এসেছি।’’ তাঁর গলায় জোরের কারণ আর্সেনাল-লিভারপুলে খেলা তাদের সেরা মিডিও জার্মেইন পেনান্ট খেলবেন আজ। এফ সি পুণে সিটিতে খেলে যাওয়া পেনান্ট আগের ম্যাচটায় খেলেননি। তবে তাদের আর এক সেরা স্ট্রাইকার বিলি মেমেট কার্ডের জন্য বাইরে। চোট রয়েছে প্রথম একাদশের আরও দুই ফুটবলারের।
বাগান কোচ অবশ্য এসব নিয়ে ভাবছেনই না। কারণ মরসুমের শেষ ম্যাচের আগেও জেজে-দেবজিৎ-কিংশুক-লুসিয়ানোরা যে মানসিকতা নিয়ে স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছিলেন তাতে সঞ্জয়ের মুখটা ঝকঝক করছিল।  সেই মুখাবয়বে আরও আলো ছড়িয়ে দিলেন জেজে এই বলে যে, ‘‘ফেড কাপ থেকে এএফসিতে—দু’দিনের মধ্যেই ফোকাস বদলে ফেলাটা কঠিন। তবে আমরা তো এটাই করে আসছি মরসুমের শুরু থেকেই। ম্যাচটা জিতে মরসুম শেষ করতে চাই।’’ নিজের ফুটবলার জীবনের সোনালি বছরে ট্রফির পর ট্রফি আর কুড়ি গোলের লম্বা ইনিংস জেজেকে যেন আরও আগুনে মেজাজের করে তুলেছে। এএফসিতেও রয়েছে ছ’টা গোল। যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হল, সনি-কাতসুমি না থাকায় তো গোল করার সব চাপ তো আপনার উপরই? ‘‘ওরা না থাকায় আমাদের একটু সমস্যা হবে। কিন্ত যারা আছে তারাও গোল করে ম্যাচ জেতাতে পারে।’’ জেজের বক্তব্য শুনে সমর্থনের হাসি পাশে বসা তাঁর কোচের মুখেও। সঞ্জয়ের মন্তব্য, ‘‘আমরা প্রথম থেকে একটা নির্দিষ্ট রোড ম্যাপ ধরে এগিয়েছি। খাওয়া, যাওয়া, আসা, মানসিকতা তৈরি—সবকিছুই ঠিকঠাক হয়েছে। সব থেকে বড় কথা কেউ চোট পায়নি। এটাই আপাতত আমাদের শেষ ম্যাচ। সবাই জিততে চাইছে।’’
টুর্নামেন্টের যা নিয়ম, তাতে টাম্পাইন্সকে হারালেই শেষ আটে উঠে যাবে সঞ্জয়ের টিম। কারণ এটা এক পর্বের খেলা। নক-আউট। অতিরিক্ত সময়, টাইব্রেকার সবই আছে। বাগান জিতলে তাদের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ পড়বে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। এবং যখন সেটা হওয়ার কথা তখন আইএসএলে খেলার জন্য চলে যাবেন বাগানের প্রায় সব ফুটবলারই। পড়ে থাকবেন আজহারউদ্দিন, সার্থক, পঙ্কজরা। ফলে বছরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেরই কোনও গুরুত্ব নেই এখন কর্তাদের কাছে। বাগানের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে, ম্যাচ জিতে লাভ কী? জিতলে তো টিমই নামানো যাবে না কোয়ার্টার ফাইনালে। এবং সেটা কিছু ফুটবলারের মধ্যেও মনে হল সংক্রমিত। বাগান কোচ অবশ্য বলে চলেছেন, ‘‘পরে কী হবে ভেবে লাভ নেই। ক্লাবের গৌরবের জন্যই ম্যাচটা জিততে হবে। দেখবেন আমরা জিতবই।’’
আজ ইন্দিরা গাঁধী স্টেডিয়ামে বাগান কোচ যেন সত্যিই একা কুম্ভ।
মঙ্গলবারে
এএফসি প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল—মোহনবাগান: টাম্পাইন্স রোভার্স (গুয়াহাটি ৭-০০)।